আজকে মনটা বিশাল ভালো। কাহিনীটা তাইলে খুইলা কই ।
গাজীপুর থেইকা ফিরসি পরে থেইকা মনডা বিশাল উদাস ছিল। কিরাম কিরাম জানি লাগতাছিল। তো গত পরশু দিনকা গেছি ক্লাবে খেলাইতে। খেলতাচছি এইরাম সময় একটা অপরিচিত নম্বার থেইকা ফোন। ধরলাম। ধইরা দেখি এক বড় ভাই । কইল কাইলকা ফ্রি থাকলে একটু দেখা কইর। আমি কইলাম উখে ভাই।
কাইলকা (শনিবার) সকালে ক্লাস। ঘুম ভাঙ্গলো ১১টায় সকালের ক্লাস মিস। কি আর করা। আস্তে ধীরে দাঁত মাজা শেষ কইরা কাপড় পরলাম। ছাত্র আছে। বাইর হইলাম। কিন্তু মন বড় উদাস। কতক্ষন ঘুরাঘুরি কইরা গেলাম নিরব হোটেলে। দুপুরে সেইখানে খাইলাম। আরো কতক্ষন ঘুইরা পরে ফিরলাম বাসায়। ব্যাগটা রাইখা আবার বাইর হইলাম ভাইয়ের লগে দেখা করতে যামু।
আড্ডা মাইরা কাম সাইরা গেলাম দেখা করতে। ভাই ডাকছিল গুলশান ২ নংয়ের অইখানে এফ এফ সি তে। গেলাম । গিয়া দেখি লগে ভাবী। ভাই কইল বস। বইলাম। তখন উনি কইল তুমি তো ল’ পড় আমারে একটু বুদ্ধি দেও। সমস্যা জিগাইলাম। কইল। শুইনা কইলাম কাগজ দেন। দেখলাম কাগজ। দেইখা সমস্যার সমাধান দিলাম। এর মাঝে ডিনার অর্ডারও দিয়া আসছে ভাইয়া। উনারে বুদ্ধি দিলাম পরে খাইলাম। খাওয়া শেষ করার পরে ভাই কইল তুমি পড়া শেষ করলে অনেক বড় ল’ইয়ার হইবা। এখনি যেম্নে পেজগী লাগানি বুদ্ধি দিছো আর সমস্যার সমাধান কইলা তোমার সামনে অনেক বড় রাস্তা অপেক্ষা করতেছে। ভাইয়েরকতথা শুইনা লজ্জা পাইলাম। পরে ভাই আমারে ফিস হিসাবে ৫০০ টেকা দিল। কইল ” এইটা তোমার পরামর্শের ফিস।”
মনটা খুশী হইতে লাফ দিল। প্রফশনের হিসাবে প্রথম টেকা কামাইলাম। পরে ফিরার সময় বাসায় লাইগা মিষ্টি কিনলাম। কিনা বাসায় ফিরা সবাইরে মিষ্টি খাওয়াইলাম। এরপরে বাকি যেই কয় টেকা ছিল মার কাছে দিলাম যে রাখো আমার পয়লা উকালতির রোজগার দোয়া কইরো যাতে অনেক বড় উলিক হইতারি। আহ বাপ মার এই রাম খুশী মুখ। আমার কারনে। সেইটাই মনটারে পুরা ভরাইয়া দিলো। সারা জীবনে তো কম কষ্ট দেই নাই ।